Pages

Wednesday, February 19, 2020

উল্টো পথে হাটলেই কমবে ভুঁড়ি!

ভুঁড়ি বাঙালির অহংকার বলা হলেও এটি নিয়ে মানুষকে কম বিপাকে পড়তে হয় না। এর কারণে বন্ধু-বান্ধবসহ বিভিন্ন মহলে হাসি-ঠাট্টার পাত্র হওয়ার পাশাপশি পড়তে হয় নানা শারীরিক জটিলতার মুখে। এমনকি চলাফেরা করতেও সমস্যার মুখে পড়তে হয় ভুঁড়িওয়ালাদের। তাই ভুঁড়ি কমাতে ভুক্তোভোগীদের উল্টো হাঁটার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
bally pot
তাদের মতে, সুস্থ থাকতে হলে প্রতিটি মানুষের সকাল-বিকেল নিয়ম করে হাঁটা প্রয়োজন। প্রতিদিন দুই বেলা আধ ঘণ্টা করে হাঁটলে ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি শরীর ও মন থাকে চনমনে। এমনকি যাদের ভুঁড়ি আছে, তারাও হাঁটার মাধ্যমে পারবেন একদম ফিট হতে। তবে সোজা হাঁটার থেকে উল্টো হাঁটলে বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত ও বেশি সুফল পাওয়া যায়।
তারা বলেন, পেছন দিকে হাঁটলে মানুষের অবসাদ দ্রুত দূর হয়। পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই প্রতিটি মানুষের দৈনিক আধ ঘণ্টা করে সকালে ও বিকেলে উল্টো হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। এতে সোজা হাঁটার থেকে বেশি উপকারিতা পাওয়া যায়।
চিকিৎসকদের পরামর্শে বা সুস্থ থাকতে প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে পার্কে, রাস্তায় বা খোলা মাঠে মানুষদের সোজা হাঁটতে দেখা গেলেও কখনো কাউকে পেছন দিকে হাঁটতে দেখা যায়নি। কিন্তু যাদের ঘুমের সমস্যা আছে বা ঠিক মতো ঘুম হয়না তাদের উল্টো হাঁটার পরমর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে সোজা হাঁটার তুলনায় দ্রুত সময়ে ঘুমের সমস্যা দূর হয় বলে দাবি তাদের।
walk reverse
এছাড়া পায়ের মাংসপেশীর স্ট্রেন্থ বা শক্তি বৃদ্ধি, পায়ের হাড় মজবুত, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং হজম শক্তি বা মেটাবোলিজম বাড়াতে উল্টো হাঁটার বিকল্প নেই বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। এ পদ্ধতিতে হাঁটলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমার পাশাপাশি হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পায় বলে জানান তারা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনভ্যস্ততার কারণে প্রথম প্রথম পেছন দিকে হাঁটতে একটি অসুবিধা হতে পারে। প্রতিদিন নিয়ম করে আস্তে আস্তে পেছন দিকে হাঁটার চেষ্টা করলে যে কেউ অল্প কয়দিনে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে। আর একবার অভ্যস্ত হয়ে পড়লে ধীরে ধীরে হাঁটার গতি বাড়ানো যাবে।
তবে পেছন দিকে হাঁটার বিষয়ে সতর্ক করে বিশেষজ্ঞরা বলেন, এভাবে হাঁটার ক্ষেত্রে অবশ্যই সকলকে এলাকার নিরাপদ কোন স্থান, ফাঁকা মাঠ, রাস্তা বা পার্ক বেছে নিতে হবে। তা হলে যে কোন সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

যা খেলে বাড়বে আপনার সন্তানের উচ্চতা

শিশুদের শারীরিক গঠন বা সুস্থতা নিয়ে প্রতিটি বাবা-মা'ই কমবেশি চিন্তিত থাকেন। তাইতো শিশুর খাওয়া-দাওয়ার প্রতি একটু বেশিই যত্নশীল হন প্রতিটি বাবা-মা। শিশুর শারীরিক গঠন ও উচ্চতা ঠিক রাখতে পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি খাওয়ানো হয় বাজরে চলতি হেলথ ড্রিংসও। কিন্তু পিতামাতারা জানেন না শুধু ভিটামিন সমৃদ্ধ শাক-সবজিই তাদের সন্তানের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।
childreen hight
শিশু কতটুকু লম্বা বা খাটো হবে তা পুরোপুরিই নির্ভর করে তার বংশগত বৈশিষ্ট্যের ওপর। তবে শরীর পরিমাণমতো পুষ্টি না পেলে শিশুর লম্বা হওয়া বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। তাই জেনে নিন কোন কোন শাক-সবজি শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে সহায়তা করে।
বাঁধাকপি: শীতকাল আসলেই বাজারগুলোতে দেখা মেলে বাঁধাকপির। এ সবজিটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, প্রোটিন, আয়রন, ফাইবার ও মিনারেল রয়েছে। যা মানব দেহের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষভাবে সহায়তা করে।
ব্রোকলি: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্রোকলির ব্যাপক চাহিদা থাকলেও বাংলাদেশে এ সবজিটির চাহিদা কিছুটা কম। সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে এ সবজিটিকে পছন্দ করেন না। কিন্তু এরপরও দেশের বাজারগুলোতে দেখা মেলে সবুজ রঙের এ সবজিটির। যার গুণাগুণের মধ্যে রয়েছে মানুষের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহয়ক ভিটামিন সি, আয়রন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
vegiteble image
মটরশুঁটি: ছোট দানাদার এ শষ্যটি অনেকেরই পছন্দ। যে কোন তরকারির সঙ্গেই বেশ মানানসই এই শষ্যটি। খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিকর ভিটামিন, প্রোটিন, ফাইবার, লুটেইন ও মিনারেল। এ শষ্যটিও মানুষের উচ্চতা বৃদ্ধি তরান্বিত করে।
ঢেঁড়স: পিচ্ছিল ভাবের জন্য অনেক শিশুই এ সবজিটি খেতে চায় না। কিন্তু এতে রয়েছে ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও মিনারেল। এ পুষ্টি উপাদানগুলো মানুষের গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
এছাড়া শালগম, পালংশাক ও সয়াবিন মানুষের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহয়তা করে। এ তিনটিতেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার ও মিনারেল।
প্রসঙ্গত, সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত এবং মেয়েদের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। তাই এই সময়ের মধ্যে প্রতিদিন এসব শাক-সবজি খেলে মানুষের উচ্চতা বৃদ্ধি তরান্বিত হয়।

ওজন কমাতে প্রতিদিন ডিম খান তিন উপায়ে

ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সকলেরই জানা আছে। কিন্তু এর কুসুম খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় এবং ওজন বৃদ্ধি পায় এই ভয়ে অনেকে ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তবে মানুষের এই ধারণাটি পুরোপুরি সত্য নয়। কারণ ডিমের কুসুম শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। পাশাপাশি প্রতিদিন নির্দিষ্ট উপায়ে ডিম খেলে কমবে ওজনও।
boiled egg
ডিম ভুনা, ভাজি বা পোচ খেলে তেলের কারণে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
তবে তিনটি উপায়ে প্রতিদিন ডিম খেলে কোলেস্টেরলের মাত্র তো বৃদ্ধি পাবেই না বরং কমবে ওজন। পাশাপাশি পাবেন প্রচুর পুষ্টিও। জেনে নিন সেই তিনটি উপায়-
১) ওয়াটার পোচ
নাম শুনে অনেকেই ভাবতে পারেন এ আবার কেমন পোচ বা কীভাবে তৈরি করে? এটি আসলে তেল ছাড়া পানি দিয়ে তৈরি করা হয়। একটি হাড়িতে পানি নিয়ে তাতে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে ফুটান। পানি ফুটলে তাতে ডিম ভেঙ্গে ছেড়ে দিন। কয়েক মিনিট পর ডিমটিকে আলতো করে পানি থেকে তুলে নিন। ব্যস, হয়ে গেল ওয়াটার পোচ। এই পোচে ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ অক্ষুন্ন থাকে, আর পেটে মেদ জমার ভয়ও থাকে না।
boil egg
২) ডিমের সালাদ
অনেকেই শরীরের মেদ ঝরাতে প্রতিদিন নিয়ম করে সালাদ খেয়ে থাকেন। কিন্তু একই উপাদান আর কাঁচা শাক-সবজির জন্য প্রতিদিন এটি খেতে অনীহা বা বিরক্তির সৃষ্টি হতে পারে। তাই নতুনত্ব আনতে সালাদে যোগ করতে পারেন সিদ্ধ ডিমের কুঁচি। সঙ্গে যোগ করুন লেবুর রস ও গোলমরিচ। এবার এই সালাদ খেলে নতুন স্বাদ পাওয়ার পাশাপাশি পাবেন ডিমের পুষ্টিগুণও। আর সবুজ শাক-সবজি তো আছেই শরীরের বাড়তি মেদ ঝরানোর জন্য।
৩) ওটমিল ও ডিম
শরীরে মেদ বাড়াতে না চাইলে ডিমের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খাতে পারেন। ওটমিল শরীরে বাড়তি ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরল জমার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর ডিম থেকে পাওয়া যায় প্রোটিন। তাই ডিমের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খেলে পুষ্টিও পাওয়া যায়, শরীরে মেদও বাড়ে না।

হার্নিয়ার লক্ষণ ও প্রতিকার

হার্নিয়ার লক্ষণ ও প্রতিকার



আমাদের পেটের কিছু টিস্যু আছে যেগুলো আশপাশের অন্য টিস্যু থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল থাকে৷ যখন পেটের ভেতরের চাপ বেশি হয়, যেমন-অনেক দিনের পুরানো হাঁচি, কাশি বা কোষ্ঠকাঠিন্যের ফলে শক্তিশালী টিস্যুগুলো অপেক্ষাকৃত দুর্বল টিস্যু ভেদ করে বেরিয়ে আসে তখন সেই অবস্থাকে হার্নিয়া বলা হয়। এটি স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষ হয়, এমনকি বাচ্চাদেরও হয়। তবে স্থূলকার ব্যক্তিদের এ রোগে আক্রান্ত হতে বেশি দেখা যায়।
hernia diseases
হার্নিয়া হলে শরীরে বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়, সেগুলোকে হার্নিয়া সিমটাম বলে। নাভির চারদিক, কুঁচকি, উরুর সংযোগস্থল, পুরুষের ক্ষেত্রে অণ্ডকোষ, মহিলাদের ক্ষেত্রে উরুর ভেতরের দিকে ফুলে গেলে হার্নিয়া হয়েছে বলে সনাক্ত করা যায়। এর প্রভাবে কুচকি এবং অণ্ডথলি অস্বাভাবিক ফুলে যায় এবং ব্যথা অনুভূত হয়৷ ইতিপূর্বে সার্জারি হয়েছে এমন অংশেও হার্নিয়া দেখা দিতে পারে। জন্মগতভাবেও হার্নিয়া থাকতে পারে। হার্নিয়ার বহিঃপ্রকাশ সাধারণত ধীরগতিতে হয়, এটি কয়েক মাস এমনকি বছর ধরে হয়ে থাকে। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে হঠাৎ করেই হার্নিয়া হতে পারে।
হার্নিয়ায় আক্রান্তের লক্ষণ:
  • পেটের নির্দিষ্ট অংশ ফুলে যাওয়া এবং সেই ফোলা থেকে প্রচণ্ড পেট ব্যথা অনুভূত হওয়া।
  • শরীর নিচু করলে ব্যথা অনুভব করা।
  • খাওয়া-দাওয়া না করার পরও পেট ভরা ভরা লাগা।
  • বমি বমি ভাব হওয়া।
  • নাভির আশপাশ ফুলে যাওয়া।
  • কুঁচকি বা অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া
  • উরুর গোড়ার ভেতর দিক ফুলে যাওয়া।
  • পেটে পূর্বে অপারেশন করা হয়েছে এমন স্থান ফুলে যাওয়া।
  • শরীরে জ্বর চলে আসা।
  • আক্রান্ত স্থানের আশপাশের পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হওয়া।
হার্নিয়ায় আক্রান্তের কারণ:
  • পুরনো কাশি।
  • অতিরিক্ত হাঁচি।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য।
  • ভারি বস্তু উত্তোলন।
  • একই পেশির অতিরিক্ত ব্যবহার।
  • শরীরের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি।
  • তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার।
হার্নিয়া চিকিৎসা:
সাধারণত দুই ধরনের অপারেশনের মাধ্যমে হার্নিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। হার্নিয়োর‌্যাফি ও হার্নিয়োপ্লার্স্টি।
হার্নিয়োর‌্যাফি: এ পদ্ধতিতে সার্জন কুঁচকিতে একটা ইনসিশন দেওয়া হয়। তারপর বেরিয়ে আসা টিস্যু ঠেলে পেটের মধ্যে ফেরত পাঠানো হয়। অপারেশনের পর সুস্থ হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগে।
হার্নিয়োপ্লার্স্টি: এ পদ্ধতিতে সার্জন কুঁচকি এলাকায় এক টুকরো সিনথেটিক মেশ লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেলাই, ক্লিপ অথবা স্টাপল করে এটাকে সাধারণত দীর্ঘজীবী রাখা হয়।
হার্নিয়ার চিকিৎসায় পেটে এসিড তৈরি বন্ধ করে এমন ওষুধও খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
হার্নিয়া প্রতিরোধ:
জন্মগতভাবে থাকলে হার্নিয়া প্রতিরোধ করা যায় না। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে হার্নিয়ার সম্ভবনা কম থাকে।
  • স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখাতে নিয়মিত ব্যায়াম ও পরিমিত খাবার গ্রহণ করা।
  • খাবার তালিকায় বেশি বেশি টাটকা ফল, শাকসবজি রাখা।
  • ভারী বস্তু উত্তোলন করা থেকে বিরত থাকা। করলেও উত্তোলন সময় হাঁটু ভাঁজ করে তুলতে হবে। কোনোমতেই কোমর বাঁকিয়ে তোলা যাবে না।
  • তাড়াতাড়ি হাঁটা, দৌড়ানো থেকে বিরত থাকা।
  • https://www.bangla.24livenewspaper.com/lifestyle/health/56324-hernia-symptoms-and-remedies

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশোত্তর

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশোত্তর

চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া মরণব্যাধি করোনাভাইরাসের আতঙ্ক এখন বিশ্বব্যাপী। যদিও বিশ্বের সব দেশে ভাইরাসটি এখনো ছড়ায়নি। এখন পর্যন্ত চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ ২৫টি দেশে ছড়িয়েছে। বেশ কয়েকটি দেশে জরুরি অবস্থাও ঘোষণা করা হয়েছে।
corona virus 11
এদিকে, ভাইরাসটি সম্পর্কে অনেকেই এখনো ঠিকভাবে অবগত নয়। এটির টিকা আবিস্কার হয়েছে কি না? যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে কেউ সুস্থ হয়েছে কি না? কিংবা সুস্থ হলেও আবার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না? এমন আরো অনেক প্রশ্নের উত্তর মানুষ জানতে চায়। তাদের সেসব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছে বিবিসি।
সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া যে দেশগুলোতে এখনো বিমান চলাচল বন্ধ হয়নি, সে দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে ভ্রমণ কতটা নিরাপদ?
করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত চীনের মূল ভূখণ্ডে মৃতের সংখ্যা ৮০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে হুবেই প্রদেশেই ৭৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট আক্রান্ত ৩৪ হাজার ৮০০ জনের মধ্যে হুবেই প্রদেশে ২৭ হাজার। বর্তমানে ২০ হাজারেরও বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি। যার মধ্যে ১১৫৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ছাড়া ভাইরাসটি বিশ্বের ২৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, আক্রান্ত হয়েছে ৩১০ জনের বেশি মানুষ। এতে ফিলিপাইন ও হংকংয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। চীনে মৃত্যু হয়েছে এক মার্কিন নাগরিকের।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কমনওয়েলথ দপ্তর হুবেই প্রদেশে সব ধরনের ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি চীনের মূল ভূখণ্ডে প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার কথা জানানো হয়েছে। তবে চীন থেকে অন্য কোনো দেশ ভ্রমণে এখন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি।
ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই বয়স্ক ও শিশু, তরুণদের মধ্যেও বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। এক্ষেত্রে যেসব তরুণের মধ্যে স্বাস্থ্যগত সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে এমনটা হচ্ছে। অথবা বেশি মাত্রায় ভাইরাসটির সংস্পর্শে আসার কারণে লক্ষণগুলো আরো মারাত্মকভাবে দেখা দেয়।
মাস্ক কী কার্যকরভাবে ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে এবং এটি কতবার পরিবর্তন করতে হয়?
মাস্ক পরলেই যে ভাইরাস প্রতিরোধ করা যায়, এমনটা খুব কমই হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং আশপাশের জায়গাগুলো পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এক্ষেত্রে নিয়মিত হাত ধোয়া এবং অবশ্যই মুখের কাছে হাত আনার আগে সেটি ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। আর এ অভ্যাস মাস্কের চেয়ে বেশি কার্যকর।
corona virus 111
করোনাভাইরাসের জন্য ইনকিউবেশন সময়কাল বা সুপ্তিকাল কী?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে এর লক্ষণগুলি প্রকাশের আগ পর্যন্ত সময়ের পরিধি ২ থেকে ১০ দিনের মতো হয়ে থাকে। তাই ইনকিউবেশন পিরিয়ড বা সুপ্তিকাল সম্পর্কে জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই সময়ের মধ্যে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এবং নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে সময় পান।
অর্থাৎ চিকিৎসকরা আরো কার্যকর কোয়ারান্টিন ব্যবস্থা চালু করতে পারেন। যেমন- কেউ যদি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে তাহলে তাদের আলাদা করে রাখা যাবে। যেন তাদের মধ্যে ভাইরাসটি সনাক্ত হলেও তা অন্য কারো মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।
করোনাভাইরাসে যারা আক্রান্ত হওয়ার পর সেরে উঠছেন, তারা কি পুরোপুরি সুস্থ হতে পেরেছেন?
হ্যাঁ, যারা ভাইরাসটির সংস্পর্শে এসেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই কেবল হালকা কিছু লক্ষণ অনুভব করেছেন। এর মধ্যে জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। বেশিরভাগই সম্পূর্ণ সেরে উঠছেন। তবে এটি বয়স্ক ব্যক্তি বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব বড় ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, করোনাভাইরাসের হালকা লক্ষণ দেখা দেয়ার পর পুরোপুরি সেরে উঠতে এক সপ্তাহের মতো সময় লাগতে পারে।
চীনের উহান শহর থেকে বিভিন্ন দেশে পাঠানো জিনিসপত্রের মাধ্যমে কি করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে?
জিনিসপত্রের মাধ্যমে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে কি না সে সম্পর্কে এখনো কোনো প্রমাণ নেই। তবে এটি মানুষের হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
corona virus
সাধারণত শীতল ভাইরাসগুলো মানুষের দেহের বাইরে ২৪ ঘণ্টারও কম সময় বাঁচে। তবে কনোরোভাইরাস (অন্ত্রের একটি গুরুতর পোকা) শরীরের বাইরে কয়েক মাস টিকে থাকতে পারে।
এই শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা প্রতিরোধ করার জন্য কি টিকা দেয়া সম্ভব?
এখনো এমন কোনো টিকা আবিস্কার করা যায়নি। যা দিয়ে করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে রক্ষা করা যেতে পারে। তবে গবেষকরা এর প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা করছেন।

https://www.bangla.24livenewspaper.com/lifestyle/health/56565-have-recovered-from-the-coronavirus

ভাইরাস অসুখ: বেঁচে থাকতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলো

ভাইরাস অসুখ: বেঁচে থাকতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলো

শীত শেষে আবহাওয়া ক্রমশ গরমের দিকে এগুচ্ছে। ঋতু বদলের এ সময়ে ভাইরাসজনিত অসুখ-বিসুখ বেড়ে যায়। ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে জ্বর-সর্দি-কাশির মত দুশ্চিন্তা জাগোনো রোগগুলো। যদিও এসব অসুখে বড় কোনো ঝুঁকি নেই, কিন্তু অবহেলা করলে ফলাফল ভিন্নও হতে পারে। ছোট সমস্যা গড়াবে বড় পরিণতির দিকে। একটু সতর্ক হলেই এসব রোগবালাই থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব। আসুন জেনে নিই, ভাইরাস অসুখ থেকে বেঁচে থাকতে কোন নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরি।
flue
মেন চলুন খাওয়া ও ঘুমের রুটিন
দেহঘড়িতে রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ঠেকাতে কোনোভাবেই খাওয়া ও ঘুমের রুটিন হেরফের করা চলবে না। চিকিৎসকরা বলেন, মানবদেহে বেশিরভাগ রোগ বাসা বাঁধে খাওয়া এবং ঘুম এলোমেলো হয়ে গেলে। তাই ঠিক সময়ে সকাল-দুপুর-রাতের খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিয়ম করে ঘুমুতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার রুটিন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
এ সময়ে হাত-মুখ বেশি বেশি ধুয়ে নিন
বাইরে থেকে ফিরেই হাত-মুখ ধুয়ে নিন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, হাতের মাধ্যমে মানব দেহে রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। হাত দিয়ে কত কিছু স্পর্শ করি, শরীরের নানান জায়গায় হাত বুলাই, যখন হাত না ধুয়ে খাবার গ্রহণ করি কিংবা মুখে হাত দিই, তখন ভয়াবহ রোগ দেহে ঢুকে পড়তে পারে। তাই সতর্ক থাকুন।
পরিষ্কার রাখুন ফোন-ল্যাপটপ
মোবাইল-ল্যাপটপ পরিষ্কারের ব্যাপারে আমরা যেন একটু বেশিই উদাসীন। দিনের বেশিরভাগ সময় মেবাইল-ল্যাপটপে যারা কাজ করেন, তাদের এই বিষয়য়ে উদাসীনতা ভয়াবহ রোগ ডেকে আনতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল-ল্যাপটপ কম্পিউটারে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক জীবাণু প্রবচুর পরিমাণে ছড়িয়ে থাকে। নিয়ম করে ল্যাপটপ- মোবাইল পরিষ্কার এবং খাওয়ার আগে ভালো করে হাত ধুয়ে নিলে অনেকাংশে জীবাণুর আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব।
মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে
নিজের এবং অন্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সঠিক উপায়ে মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই। নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করলে শতকরা নব্বই শতাংশ ভাইরাস রোগ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব। এ ছাড়া ফুসফুসের জটিল রোগের ঝুঁকিও কমে যায়। তাই মাস্ক ব্যবহার করুন এবং সুরক্ষিত থাকুন।
অসুখ হলে কী করবেন?
যদি অসুখে পেয়েই বসে তাহলে সাবধান থাকতে হবে। ছোট অসুখ যেন যেন বড় পরিণতি ডেকে না আনে। হাঁচি-কাশির সময় মুখে হাত বা কাপড় দিন। এতে করে অন্যরা সুরক্ষিত থাকবে। কাশিকে অবহেলা করবেন না। শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

https://www.bangla.24livenewspaper.com/lifestyle/health/56654-follow-these-rules-to-avoid-virus-infection

প্রাণঘাতী জটিল লিভার সিরোসিসের লক্ষণ

প্রাণঘাতী জটিল লিভার সিরোসিসের লক্ষণ

মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- লিভার বা যকৃৎ। যা থেকে নিসৃত জারক রস খাবার হজম করে শরীরের বিপাকীয় কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে। তাই এই লিভারে কোনো সমস্যা বা রোগ দেখা দিলে অসুস্থ হয়ে পড়ে শরীর। আর এই অঙ্গটির বেশিরভাগ রোগই খুবই জটিল, যা প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে না। তাই চিকিৎসকরা লিভারের রোগকে নীরব ঘাতক বলে থাকেন।
human liver
লিভারের বিভিন্ন জটিল রোগগুলোর একটি হলো লিভার সিরোসিস। এ রোগে আক্রান্ত হলে লিভার তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে এ থেকে লিভার ক্যান্সার হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। তাই এই রোগটিকে প্রাণঘাতীও বলা হয়। কিন্তু এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে আক্রান্ত রোগীর শরীরে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। রোগ মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। অনেক সময় তখন আর কিছুই করার থাকে না। তাই জেনে নিন লিভার সিরোসিসের লক্ষণসমূহ-
প্রাথমিক পর্যায়ের লিভার সিরোসিসকে কম্পেনসেটেড সিরোসিস বলা হয়। এ সময় আক্রান্ত ব্যক্তি শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করেন। পাশাপাাশি সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়া, নাক বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, পেটের ডান পাশে ব্যথা অনুভব হওয়া, ঘন ঘন পেট খারাপ হওয়া এবং জ্বর জ্বর ভাব এ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
normal liver liver cirrhosis
লিভার সিরোসিস মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে একে ডিকম্পেনসেটেড বা অ্যাডভান্স সিরোসিস বলা হয়। এ সময় আক্রান্ত ব্যাক্তির পায়ে, পেটে এবং ফুসফুসে পানি চলে আসে। লিভার সিরোসিস মারাত্মক পর্যায়ে গেলে রোগীর জন্ডিস হওয়াসহ জ্ঞান হারাতে পারেন। এ ছাড়া রক্তবমি ও পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া, কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা কার্যক্ষমতা হারানো, শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে নিয়ন্ত্রণবিহীন রক্তপাত হওয়া অ্যাডভান্স সিরোসিসের লক্ষণ।
করণীয়:
লিভার সিরোসিসের প্রাথমিক ও মারত্মক লক্ষণের কোনোটি দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সময়মতো চিকিৎসা পেলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। অন্যথায় এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।

Source:https://www.bangla.24livenewspaper.com/lifestyle/health/56774-liver-cirrhosis-symptom

Sunday, February 16, 2020

কি কি উপকারিতা পাওয়া যায় কিউই ফল থেকে

 কি কি উপকারিতা পাওয়া যায় কিউই ফল থেকে


প্রতি ১০০ গ্রাম কিউই ফলের রয়েছে ৬১ কিলো ক্য়ালরি শক্তি, ১.৩৫ গ্রাম প্রোটিন, ০.৬৮ গ্রাম ফ্য়াট, ১৪.৮৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২.৭  গ্রাম ফাইবার, ৮.৭৮ গ্রাম চিনি, ৪১ মিলিগ্রাম ক্য়ালসিয়াম, ০.২৪ মিলিগ্রাম আয়রন, ৩১১ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ৯৩.২ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ৬৮ আই ইউ ভিটামিন-এ, ৩৭.৮ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-কে।
Every 100 grams of kiwi fruit contains 61 kilos of calories energy, 1.35 grams of protein, 0.68 grams of fat, 14.86 grams of carbohydrates, 2.7 grams of fiber, 8.78 grams of sugar, 41 milligrams of calcium, 0.24 milligrams of iron , 311 mg potassium, 9.32 mg vitamin-C, 68 IU vitamin A, 37.8 micrograms of vitamin K.
জেনে নেওয়া যাক কি কি উপকারিতা পাওয়া যায় কিউই ফল থেকে.....
কিউই ফলে ভিটামিন-সি ও পটাশিয়াম থাকায় স্বাস্থের জন্য় খুবই উপকারি। প্রতিদিন যদি ২টি করে কিউই ফল খাওয়া যায় তাহলে অক্সিডেটভ স্ট্রেস হ্রাস পায়। হৃদরোগের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে এই ফল। এছাড়াও কিউইতে ম্য়াগনেশিয়ামের থাকায় হার্ট ভাল রাখতে সাহায্য করে। 
Let's find out what benefits are available from the kiwi fruit .....
As a result of kiwi, vitamin C and potassium are very beneficial for health. If 2 qi fruits are consumed every day then oxidative stress is reduced. This fruit helps to relieve heart problems. Also having magnesium in kiwi helps keep the heart healthy.
কিউই ফলে  ভিটামিন-সি ও অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

এই ফলে অ্য়াক্টিনিডিন নামক এনজাইম যা, প্রোটিন দ্রবীভূত বৈশিষ্টের জন্য পরিচিত। কিউইতে ফাইবার থাকার কারণে এটি হজমে সাহায্য করে।
হাপানি রোগের  জন্য  মোক্ষম ওষুধ হল কিউই ফল।
কিউই ফলে অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যার ফলে অনিদ্রার মতো ঘুমের ব্য়াধি গুলি দূর হয়ে।
কিডনিতে পাথর জমা থেকে রক্ষা পেতে খান কিউই ফল।
Kiwi helps prevent vitamin C and anti-oxidant disease.
This results in an enzyme called actinidin, which is known for its protein-soluble properties. Having fiber in kiwi helps digestion.
Kiwi fruit is a potent drug for the Asthma disease.
Kiwi contains anti-oxidants, which eliminates sleep disturbances like insomnia.
Eat kiwi fruit to prevent kidney stones from accumulating.
কিউই-তে ভিটামিন-সি ও অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট ত্বককে রোদ, দূষণ এবং বার্ধক্য় বিলম্ব করে।
কিউই ফলে ভিটামিন-এ ও ফাইটোক্য়ামিক্য়াল চোখের ছানি ও অন্যান্য চোখের সমস্যা  দূর করতে সাহায্য করে।
কিউইতে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকে যা শরীরে রক্ত সঞ্চালনাকে ঠিক রাখে এবং হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে।
 প্রতিদিন ৩টি করে কিউই ফল খেলে, এর মধ্যে থাকা বায়োঅ্যাক্টিভ রক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে।
 ডায়বেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ ফল। কারণ, এটি লো গ্লাইসেমিক হওয়ায় সুগার কন্ট্রোল করে।
Vitamin C and antioxidants in kiwi protect  the sunshine, contamination and aging of the skin.
As a result of the kiwi, vitamin A and phytochemicals help relieve eyelid and other eye problems.
Kiwis contain vitamins and minerals that regulate blood circulation in the body and strengthen bones and teeth.
Eating 3 kiwi fruit every day, the bioactive blood contained in it helps reduce blood pressure.
 This is an ideal result for patients with diabetes. Because, because it is low glycemic, sugar controls.
https://zeenews.india.com/bengali/health/amazing-health-benefits-of-kiwi-fruits_301306.html