উল্টো পথে হাটলেই কমবে ভুঁড়ি!
- by জীবনশৈলী ডেস্ক
ভুঁড়ি বাঙালির অহংকার বলা হলেও এটি নিয়ে মানুষকে কম বিপাকে পড়তে হয় না। এর কারণে বন্ধু-বান্ধবসহ বিভিন্ন মহলে হাসি-ঠাট্টার পাত্র হওয়ার পাশাপশি পড়তে হয় নানা শারীরিক জটিলতার মুখে। এমনকি চলাফেরা করতেও সমস্যার মুখে পড়তে হয় ভুঁড়িওয়ালাদের। তাই ভুঁড়ি কমাতে ভুক্তোভোগীদের উল্টো হাঁটার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, সুস্থ থাকতে হলে প্রতিটি মানুষের সকাল-বিকেল নিয়ম করে হাঁটা প্রয়োজন। প্রতিদিন দুই বেলা আধ ঘণ্টা করে হাঁটলে ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি শরীর ও মন থাকে চনমনে। এমনকি যাদের ভুঁড়ি আছে, তারাও হাঁটার মাধ্যমে পারবেন একদম ফিট হতে। তবে সোজা হাঁটার থেকে উল্টো হাঁটলে বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত ও বেশি সুফল পাওয়া যায়।
তারা বলেন, পেছন দিকে হাঁটলে মানুষের অবসাদ দ্রুত দূর হয়। পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই প্রতিটি মানুষের দৈনিক আধ ঘণ্টা করে সকালে ও বিকেলে উল্টো হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। এতে সোজা হাঁটার থেকে বেশি উপকারিতা পাওয়া যায়।
চিকিৎসকদের পরামর্শে বা সুস্থ থাকতে প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে পার্কে, রাস্তায় বা খোলা মাঠে মানুষদের সোজা হাঁটতে দেখা গেলেও কখনো কাউকে পেছন দিকে হাঁটতে দেখা যায়নি। কিন্তু যাদের ঘুমের সমস্যা আছে বা ঠিক মতো ঘুম হয়না তাদের উল্টো হাঁটার পরমর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে সোজা হাঁটার তুলনায় দ্রুত সময়ে ঘুমের সমস্যা দূর হয় বলে দাবি তাদের।

এছাড়া পায়ের মাংসপেশীর স্ট্রেন্থ বা শক্তি বৃদ্ধি, পায়ের হাড় মজবুত, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং হজম শক্তি বা মেটাবোলিজম বাড়াতে উল্টো হাঁটার বিকল্প নেই বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। এ পদ্ধতিতে হাঁটলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমার পাশাপাশি হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পায় বলে জানান তারা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনভ্যস্ততার কারণে প্রথম প্রথম পেছন দিকে হাঁটতে একটি অসুবিধা হতে পারে। প্রতিদিন নিয়ম করে আস্তে আস্তে পেছন দিকে হাঁটার চেষ্টা করলে যে কেউ অল্প কয়দিনে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে। আর একবার অভ্যস্ত হয়ে পড়লে ধীরে ধীরে হাঁটার গতি বাড়ানো যাবে।
তবে পেছন দিকে হাঁটার বিষয়ে সতর্ক করে বিশেষজ্ঞরা বলেন, এভাবে হাঁটার ক্ষেত্রে অবশ্যই সকলকে এলাকার নিরাপদ কোন স্থান, ফাঁকা মাঠ, রাস্তা বা পার্ক বেছে নিতে হবে। তা হলে যে কোন সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
No comments:
Post a Comment