Pages

Wednesday, February 19, 2020

ওজন কমাতে প্রতিদিন ডিম খান তিন উপায়ে

ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সকলেরই জানা আছে। কিন্তু এর কুসুম খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় এবং ওজন বৃদ্ধি পায় এই ভয়ে অনেকে ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তবে মানুষের এই ধারণাটি পুরোপুরি সত্য নয়। কারণ ডিমের কুসুম শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। পাশাপাশি প্রতিদিন নির্দিষ্ট উপায়ে ডিম খেলে কমবে ওজনও।
boiled egg
ডিম ভুনা, ভাজি বা পোচ খেলে তেলের কারণে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
তবে তিনটি উপায়ে প্রতিদিন ডিম খেলে কোলেস্টেরলের মাত্র তো বৃদ্ধি পাবেই না বরং কমবে ওজন। পাশাপাশি পাবেন প্রচুর পুষ্টিও। জেনে নিন সেই তিনটি উপায়-
১) ওয়াটার পোচ
নাম শুনে অনেকেই ভাবতে পারেন এ আবার কেমন পোচ বা কীভাবে তৈরি করে? এটি আসলে তেল ছাড়া পানি দিয়ে তৈরি করা হয়। একটি হাড়িতে পানি নিয়ে তাতে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে ফুটান। পানি ফুটলে তাতে ডিম ভেঙ্গে ছেড়ে দিন। কয়েক মিনিট পর ডিমটিকে আলতো করে পানি থেকে তুলে নিন। ব্যস, হয়ে গেল ওয়াটার পোচ। এই পোচে ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ অক্ষুন্ন থাকে, আর পেটে মেদ জমার ভয়ও থাকে না।
boil egg
২) ডিমের সালাদ
অনেকেই শরীরের মেদ ঝরাতে প্রতিদিন নিয়ম করে সালাদ খেয়ে থাকেন। কিন্তু একই উপাদান আর কাঁচা শাক-সবজির জন্য প্রতিদিন এটি খেতে অনীহা বা বিরক্তির সৃষ্টি হতে পারে। তাই নতুনত্ব আনতে সালাদে যোগ করতে পারেন সিদ্ধ ডিমের কুঁচি। সঙ্গে যোগ করুন লেবুর রস ও গোলমরিচ। এবার এই সালাদ খেলে নতুন স্বাদ পাওয়ার পাশাপাশি পাবেন ডিমের পুষ্টিগুণও। আর সবুজ শাক-সবজি তো আছেই শরীরের বাড়তি মেদ ঝরানোর জন্য।
৩) ওটমিল ও ডিম
শরীরে মেদ বাড়াতে না চাইলে ডিমের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খাতে পারেন। ওটমিল শরীরে বাড়তি ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরল জমার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর ডিম থেকে পাওয়া যায় প্রোটিন। তাই ডিমের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খেলে পুষ্টিও পাওয়া যায়, শরীরে মেদও বাড়ে না।

No comments:

Post a Comment